Image: google

PPE পরে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী পরিচয়ে কেউ বাড়িতে এলে পুলিশে খবর দিন

PPE পরে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরিচয়ে কেউ বাড়িতে এলে পুলিশে খবর দিন – বিশ্বের ১৮৫টি দেশে সংক্রমিত হয়েছে করোনাভাইরাস। লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন করোনার কোপে।

ভারত, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশগুলিতে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। একই সঙ্গে টেস্ট কিটের অভাবও মাথা চাড়া দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনার উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা করাতে হন্যে হয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু কিছু জায়গায় এলাকা ভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আর এই সুযোগে PPE পরে স্বাস্থ্যকর্মী সেজে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এক দল ডাকাত! এমনটাই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে ঢাকা পুলিসের পক্ষ থেকে।

PPE পরে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরিচয়ে কেউ বাড়িতে এসে হাজির হলে আগে স্থানীয় থানায় খবর দিতে বলা হয়েছে ঢাকা পুলিসের পক্ষ থেকে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করছে একদল দুষ্কৃতি।

তাই স্থানীয় থানার অনুমতি ছাড়া বাইরে থেকে আসা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতে বারন করা হয়েছে। শুধু তাই নয় স্বাস্থ্যকর্মীর পরিচয় দিয়ে কেউ বাড়িতে ক’জন সদস্য, কার বয়স কত ইত্যাদি জানতে চাইলে সে ক্ষেত্রেও উত্তর দিতে বারন করা হয়েছে ঢাকা পুলিসের পক্ষ থেকে।

লকডাউনের বাজারে চাকরি গেল ১০ হাজার শিক্ষকের!

করোনার জেরে গোটা দেশ লকডাউন। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। লকডাউন ঘোষনার পর থেকে উপার্জন নেই দেশের খেটে খাওয়া দিনমজুরদের। এই টানাপোড়নের মধ্যেই এবার চাকরি যাচ্ছে ত্রিপুরার কয়েক হাজার শিক্ষক—শিক্ষিকার৷ মাথায় হাত বাম আমলে চাকরি পাওয়া ১০ হাজার শিক্ষকের। কী করে চলবে দিন, বুঝতে পারছেন না তাঁরা। ২০১৪ সালে ত্রিপুরার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের আমলে নিযুক্ত হন এই ১০ হাজার শিক্ষক৷

নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ তুলে ত্রিপুরা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা৷ যার জেরে এবার চাকরি হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ওই শিক্ষকদের। ওই শিক্ষকদের চাকরিতে বহাল রাখতে বাম সরকার ১৩ হাজার শিক্ষাকর্মীর পদ তৈরি করে তাদের নিযুক্ত করেছিল৷ কাজ হারানোর আশঙ্কায় থাকা শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ঢালাও প্রতিশ্রুতি দেয় তৎকালীন বিরোধী শিবির বিজেপি৷ কিন্তু সরকার বদলের পর এই লকডাউনের সংকটে তাঁদের চাকরিতে না রাখার কথা টুইট করে ঘোষনা করে দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

যার জেরে প্রশ্ন উঠছে তা হলে কি প্রতিশ্রুতি ছিল স্রেফ ভোট নেওয়ার কৌশল! অ্যাডহক ভিত্তিতে এতদিন চাকরিতে বহাল ছিলেন এই শিক্ষকরা৷ কিন্তু দেশব্যাপী এই চরম সংকটের মাঝেই এককালীন ৩৫,০০০ টাকা দিয়ে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল। আরও পড়ুন— লকডাউনের জের! গরু খাচ্ছে স্ট্রবেরি, ব্রকোলি, আঙুর! মাথায় হাত চাষীদের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল অবশ্য বলছেন, এদের চাকরীতে বহাল রাখার জন্য কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার।

এর থেকে বেশী তাঁদের আর করণীয় কিছু ছিল না। তবুও এই বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের যাতে গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগ করা যায়, সেই ব্যাপারে তাদের সরকার বদ্ধপরিকর। কিন্তু এই উক্তি আদৌ সত্যি নাকি এর পিছনেও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার আবার কোনও কৌশল রয়েছে? সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে চাকরি হারানো শিক্ষকদের মনে।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *