Image: google

সুইচ স্পর্শ না করলেও জ্বলবে লাইট, চলবে ফ্যান! অভিনব আবিস্কার স্কুল পড়ুয়ার

সুইচ স্পর্শ না করলেও জ্বলবে লাইট, চলবে ফ্যান! অভিনব আবিস্কার স্কুল পড়ুয়ার – তীব্র গরমে সকলেরই হাঁসফাঁস অবস্থা।বিশেষ করে কোন ঝড় বা কালবৈশাখী আগে গরমের তাপদা’হ যেন আরো বেড়ে যায়।

সারাদিন গু’মোট হয়ে থাকে পরিবেশ। তারমধ্যে আটই জুন থেকে যেতে হচ্ছে কর্ম ক্ষেত্রে।এসি বা নিদেনপক্ষে ফ্যান ছাড়া এক দন্ড বসে থাকা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। অফিসে গলদঘর্ম হয়ে গিয়ে যদি ফ্যানের তলায় না বসতে পারা যায় তাহলে অবস্থা করুণ হয়ে পড়বে।

কিন্তু প্রত্যেকের হাত দেওয়া সেই ফ্যানের সুইচে হাত দিতেও যেন ভয় লাগে। একদিকে অসহ্য গরম অন্যদিকে করোনার আ’তঙ্ক দুই মিলে একসাথে জেরবার অবস্থা।এই শোচনীয় অবস্থা থেকে সকলকে বের করে এনেছে আসানসোলের বেসরকারি কলেজের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। ন

তুন আবিষ্কারে স্পর্শ ছাড়াই চলবে আলো পাখা।করনা সংক্রমণ এড়াতে ‘ নন কন্টাক্ট সিস্টেম ‘ আবিষ্কার করল এই পড়ুয়া।ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে হার্ডওয়ার সদস্যদের সহযোগিতায়।এই ছাত্রটির নাম কামরান হাসান। প্রথম বর্ষের ছাত্র করে দেখালো যুগান্তকারী আবিষ্কার। এই কাজে তাকে সহায়তা করেছেন শিক্ষক সৌমেন সেন।

এই আবিষ্কারটি করতে ছাত্রটির সময় লেগেছে মাত্র ৩ দিন। সুইচ বোর্ডের কাছে গিয়ে পছন্দমত সুইচ এর সামনে হাত রাখলেই অন হয়ে যাবে সেই সুইচ। তারপরেই চলতে থাকবে আলো বা পাখা।যেমনভাবে অন হবে ঠিক তেমনভাবেই অফ করে দেওয়া সম্ভব হবে সুইচ কে।

নন কন্টাক্ট সুইচিং সিস্টেম এর আবিষ্কারক কামরান হাসান বলেন আল্ট্রাসনিক সেন্সর’ সিস্টেমের একটি ডিভাইস এখানে রয়েছে। সেই ডিভাইসের সাহায্যে যেকোনো নরমাল সুইচবোর্ড কে এই সিস্টেমে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রকল্পটি তৈরি করতে কত খরচা হয়েছে জানলে অবাক হয়ে যাবেন। প্রকল্পটির খরচ সাপেক্ষ মাত্র তিনশো ষাট টাকা।

বর্তমান এই প্রযুক্তিটি কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে ব্যবহার করা হয়েছে।কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম ভট্টাচার্য্য বলেছেন যে আগামী দিনে কলেজের সমস্ত জায়গায় এই সুইচ ব্যবহার করা হবে।যদি কোন স্কুল বা কলেজ বা কোন ব্যাংক পোস্ট অফিসের মতো জায়গায় এই ধরনের নন কন্টাক্ট সুইচ সিস্টেম ব্যবহার করতে চায় তবে

আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কর্তৃপক্ষ যথাযথ সাহায্য করবে। আশা করা যাচ্ছে এই সিস্টেম খুব তাড়াতাড়ি বাজারে চলে আসবে। তাহলে প্রত্যেক জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারবে পারবে এই সুইচ সিস্টেম টিকে। কলেজে, স্কুলে ,অফিসে, ব্যাংকে এই সিস্টেমটি চালু হলে কমে যেতে পারে করোনার প্রকল্পের আ’শঙ্কা।

এই অভিনব আবিষ্কারটির জন্য ছাত্রটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সকলে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে এই আবিষ্কারটি সত্যি খুব প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন তারা।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x