Wednesday , November 25 2020
Image: google

শরীরের চামড়া প্রতি ৬ মাসে বদলে যায়!

মানব শরীরের চামড়া প্রতি ৬ মাসে বদলে যায় – নাম তার জগন্নাথ প্রধান। আর দশটা সাধারণ বালকের মতো নয় সে। তার অদ্ভু’ত চেহারা যে কোনো মানুষের মনে ভ’য় ঢুকিয়ে দিতে পারে। বিরল রোগে আ’ক্রান্ত এই বালক ছয় মাস পর পর সাপের মতো খোলস বদলায়। পুরান

চামড়ার বদলে দেখা মেলে নতুন চামড়া। শুনতে খুব সহজ মনে হলেও বিষয়টি অত সহজ নয়। খুব ক’ষ্টে সময় পার করছে জগন্নাথ। ভারতের ওড়িশ্যার গাঞ্জাম জেলার বালক জগন্নাথ প্রধান। বয়স মাত্র ১০ বছর। সাপ যেমন একটি নির্দিষ্ট সময় পর খোলস ছাড়ে, অনেকটা তেমনই চামড়ার বদল হয় তার। ডাক্তারি বিদ্যায় জগন্নাথের এই রো’গের নাম ‘ল্যামেলার ইচথি’য়োসিস’। বিশেষ’জ্ঞরা বলছেন, অত্যন্ত বিরল

রো’গের মধ্যে পড়ে এই রো’গ। পৃথিবীতে এই রো’গে আক্রা’ন্তের সংখ্যা মাত্র ৬ লাখ। যেভাবে শুরু: জগন্নাথের এই রো’গটি কয়েক বছর আগে দেখা দেয়। একসময় বাবা-মা খেয়াল করেন ছোট্ট শিশু জগন্নাথের চামড়া ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে । এরপর একটা সময়ে সাপের খোলস ছাড়ার মতো উঠে যাচ্ছে তার চামড়া। বিষয়টি একসময় ভয়া’বহ আকার ধারণ করে। ত্বকের শু’ষ্কতা এতটাই বাড়তে থাকে যে ছোট্ট

শিশুটির নড়াচড়া করার মতোও অবস্থা ছিল না। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন বছরের পর বছর। ডাক্তারের দেখিয়েও কোন লাভ হয়নি। ছেলের ক’ষ্ট স’হ্য করতে পারেন না বাবা-মা। জগন্নাথ যখন অসহ্য যন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠে তখন তার ক’ষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্য শু’ষ্ক ত্ব’কে ময়েশ্চারাইজার মাখা হয় কিছুটা নরম রাখার জন্য। তাতে কিছুটা স্ব’স্তি পেলেও আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হয়। একপর্যায়ে শক্ত হয়ে

যায় জগন্নাথের শরীরের চামড়া। ধীরে ধীরে তা উঠা শুরু হয়। এই সময়টাতে সে মোটেই নড়াচড়া করতে পারে না। এমনকি চোখের পলকও ফেলতে পারেনা জগন্নাথ। ভীষণ ক’ষ্টে তার দিন কাটে। নিরবে চোখের পানি ফেলা ছাড়া কিছুই করার থাকে না বাবা-মার। জগন্নাথের বাবা বলেন,

ডাক্তাররা বাহিরে নিয়ে উন্নত চিকি’ৎসার কথা বলছেন কিন্তু আমি তো গরিব মানুষ। ছেলের এই ক’ষ্ট নিরবে হজম করা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নাই।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *