Image: google

মেয়েটির সারা শরীরে লোম নয় গাজাচ্ছে নখ!

মেয়েটির সারা শরীরে লোম নয় – এ যেন সেই রূপকথায় রাজকুমারীকে দেওয়া রাক্ষসীর অভিশাপ! এক তরুণীর সারা গায়ে লোমের বদলে বের হচ্ছে নখ। বারবার কাটা সত্ত্বেও ফের হেয়ার ফলিকলস থেকে জন্ম নিচ্ছে নখ। আক্রান্ত তরুণী

শানাইনা ইজমের রোগ এখনও সনাক্ত করতে পারেননি চিকিৎসকরা। পৃথিবীতে এই উপসর্গে একমাত্র আক্রান্ত মিশরের শহর মেম্ফিসের বাসিন্দা এই তরুণী। কিন্তু কীভাবে সূত্রপাত এই অদ্ভূত উপসর্গের ? চার বছর আগে হাঁপানি হয় শানাইনার। তাঁকে স্টেরয়েড দেওয়া হয়। তারপরেই অ্যালার্জির ফলে শয্যাগত হয়ে পড়েন। ক্রমাগত চিকিৎসায় উঠে বসার

ক্ষমতা ফিরে আসে। কিন্তু স্টেরয়েডের প্রভাবে সারা গায়ে লোম বা চুলের বদলে বের হতে থাকে নখ। চিকিৎসা শাস্ত্রে এমন কোনও পরীক্ষা নিরীক্ষা নেই‚ যেটা শানাইনার উপর করা হয়নি। কিন্তু রোগের রহস্য বুঝতে পারেননি চিকিৎসকরা। তাঁরা এখনও অন্ধকারে। স্টেরয়েডের প্রভাবে কেন এমন হল‚ সে নিয়ে চিকিৎসকরা সূত্রহীন। রোগের জেরে শানাইনার

মাথার সব চুল উঠে গেছে। পরচুলা বা টুপি এখন তাঁর ভরসা। সেগুলো দিয়েই ঢাকতে হয় মাথাভর্তি নখ। এই বিরল এবং জটিল রোগের চিকিৎসা করতে করতে শানাইনার পরিবার দেউলিয়া। তবু তাঁকে জীবনযুদ্ধে জয়ী করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পরিজন এবং বন্ধুবান্ধবরা।

সাবধান ভিটামিন থেকেও হতে পারে মৃত্যু!

খবরে বলা হয়েছে, ভিটামিন ডি-এর ওভারডোজের কারণেই মৃত্যু হয়েছে ওই শিশুর। ইন্ডিয়ান জার্নাল অব পেডিয়াট্রিকসেও ওই ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। আর তাতেই ডাক্তাররা ভিটামিন ব্যবহারে সবাইকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ১০০০ থেকে ২০০০ আইইউ (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট) পর্যন্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে তার জন্যও ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন। আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ভিটামিন ডি-এর

ঘাটতি অতিরিক্ত পাওয়া গেলে প্রয়োজন হলে ডাক্তার দিনে ৬ লাখ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারেন। তবে সেটাও সাধারণত দেয়া হয় স্বল্প মেয়াদে। ড. গোপাল বলেন, ‘ঘাটতি পূরণ হওয়ার আগ পর্যন্ত সপ্তাহ বা মাসে একবার ৬০ হাজার ইউনিটের ডোজ দেয়া যেতে পারে। আর ৬ লাখ ইউনিটের ডোজ দেয়া হয় সাধারণত ৬ মাসে একবার। কিন্তু ৬ লাখ ইউনিটের ডোজ নেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে শক্তি চলে আসে। ফলে ভালো বোধ করার জন্য অনেকেই প্রতিদিন ৬

লাখ ইউনিটের ডোজ নিতে থাকেন।’ দিল্লির ওই শিশুর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। তাকে প্রতিদিন ১ হাজার ইউনিটের ডোজ নেয়ার পরামর্শ প্রেসক্রিপশনে থাকলেও তাকে নিয়মিত দেয়া হয় ৬ লাখ ইউনিটের ডোজ। পুষ্টিবিদ শিনি চন্দন বলেন, ভিটামিন ডি একমাত্র ভিটামিন যা হরমোন হিসেবেও কাজ করে থাকে। এমনকি এটা যতটা ভিটামিন তার চেয়েও বেশি হরমোন। তাই ভিটামিন ডি নিতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ আগে নিতে হবে। অনেক ফিটনেস ট্রেইনার ভিটামিন ডি

নেয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই চর্চাকে অনিরাপদ মনে করেন শিনি চন্দন। অর্ক সেন্টার ফর হরমোনাল হেলথের ড. আর ভরত বলেন, ভিটামিন ডি খুব সহজেই যেকোনো ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়। কিন্তু শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা পরিমাপ করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এটাকেই তিনি উদ্বেগের প্রধান একটি কারণ হিসেবে মনে

করছেন। তিনি বলেন, ‘এতে করে যেটা হয়, মানুষ তার শরীরে এই ভিটামিনের প্রয়োজন আছে কি-না তা না জেনেই এটা নিতে থাকে।’ তিনি বলেন, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, ফল-মূল বা সূর্যের রোদের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে যে ভিটামিন পাওয়া যায় সেটাই ভিটামিনের সর্বোত্তম রূপ। তাই ভিটামিন ওষুধের চেয়ে খাবার থেকেই ভিটামিনের অভাব

পূরণ করার চেষ্টা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। আর ওষুধ গ্রহণ করতে চাইলেও সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ তো নিতেই হবে। নিজের খেয়াল-খুশি মতো তাই ভিটামিন ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করাই ভালো।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *