Image: google

মায়ের সাথে গ্রামের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে চুড়ি বিক্রি করা ছেলেটিই আজ IAS অফিসার

মায়ের সাথে গ্রামের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে চুড়ি বিক্রি করা – হিরে যেমন পাওয়া যায় মাটির নিচে গভীর অন্ধকারের ভেতর।তেমনি মানুষের ক্ষেত্রেও আসল হীরা লুকিয়ে থাকে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন বিত্তের ঘরে।এমন একটি ছিল মহারাষ্ট্রের একটি

গ্রামে।জীবিকা বলতে একমাত্র ছিল চুড়ি বিক্রি। মায়ের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের বনগাঁও গ্রামের অলিগলিতে চুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতে রমেশ ঘোলাপ।আমার স্বপ্নের কার কিনতে মাত্র চার মাসে আমি যেভাবে 14,300,000 টাকা আমার স্বপ্নের কার কিনতে মাত্র চার মাসে আমি যেভাবে 14,300,000 টাকা Olymp Trade কিন্তু কেউ জানত না যে ২০১৯ সালে সেই

রমেশ হয়ে উঠবে একজন আইএএস অফিসার। আইএএস হবার রাস্তাটি সহজ ছিল না।ছোটবেলা কেটেছে বাবা-মা ভাইয়ের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের মনগাঁও গ্রামে। বাবার একটি ছোট্ট সাইকেল সারাবার দোকান ছিল। কিন্তু তার বাবা বাবা নেশায় আসক্ত ছিলেন। শেষে চু’ড়ি বিক্রি করতে যা উপার্যন হত, পুরোটাই নেশার পেছনে খরচ করে ফেলতেন তার বাবা। অল্প বয়সেই

অসুস্থ হতে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রমেশ যখন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র, ঠিক সেই সময় তার বাবার মৃ-ত্যু হয়। আমার স্বপ্নের কার কিনতে মাত্র চার মাসে আমি যেভাবে 14,300,000 টাকা Olymp Trade আমার স্বপ্নের কার কিনতে মাত্র চার মাসে আমি যেভাবে 14,300,000 টাকা Olymp Trade রমেশ পড়াশোনা চালাতে এক আত্মীয়ের

বাড়ি চলে আসে। মা ভাইকে সাহায্য করার জন্য সকালে বিভিন্ন কাজ করে অর্থ উপার্জন করতেন তিনি। রাতে নিজের পড়াশোনা চালাতে। মেট্রিক পরীক্ষায় ৮০.৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করেছিলেন তিনি। এরপর মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্টস বিভাগের স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পাস করেন। ২০০৯ সালে শিক্ষকতা শুরু করতে থাকেন রমেশ। সেইসঙ্গে

আইএএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যান। প্রথমবার পরীক্ষায় পাস করতে পারে নি রমেশ। কিন্তু তিনি হাল ছেড়ে দেননি। দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় সফলতা পান রমেশ।২০১৯ সালে আইএএস অফিসার হিসেবে কাজে যোগদান রমেশ।বর্তমানে তিনি ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত সচিব রমেশ ঘোলাপ। রমেশ গোলাপ বলেছেন যে, তিনি ১৮ বছর আইএএস

অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু তার মা এখনো চুড়ি বিক্রি করেন। তিনি জানিয়েছেন যে, তার মা বলেন,”তোমার পড়াশোনার অর্থ চুড়ি বিক্রি করেই রোজগার করেছি। সেজন্য তুমি ভালো কালেক্টর হতে পেরেছো। যতদিন আমার শরীর দেবে আমি ততদিন চুড়ি বিক্রি করে যাব”। মায়ের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পেরেছে রমেশ, তাই আজ নিজের আনন্দ ধরে রাখতে পারছেনা তার মা।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *