Tuesday , November 24 2020
Image: google

ভ্রমণ পিপাসুদের চোখে বিশ্বসেরা ৩ টি রোমান্টিক গন্তব্য

আপনি কি ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন কিংবা আপনি ভ্রমণে পিয়াসী মানুষ? তাহলে আজকের এই আর্টিকেল আপনার জন্য। শীতের এ ভ্রমণ মৌসুমে অনেকেই দেশের বাইরে ভ্রমণে যাচ্ছেন। অনেকে আবার ভ্রমণ গন্তব্য ঠিক করতে পারছেন না। আজ আপনাদের জানাব একাকী ভ্রমণে এশিয়ার রোমান্টিক গন্তব্যগুলো সম্পর্কে। চাইলে আপনি সাথে আপনার প্রিয় মানুষটিকেও সঙ্গী করে নিতে পারেন। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত….

ইন্দোনেশিয়া: অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেশটির বালি বিশ্বের প্রথম সারির ভ্রমণ গন্তব্য। বালিকে ‘দ্য লাস্ট প্যারাডাইজ অব আর্থ’ নামেও ভিহিত করা হয়।দ্বীপের বাসিন্দাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মুগ্ধতায় পর্যটকরা বারবার বালিতে অবসরযাপনে যান। কেনাকাটা, ভোজন ও ভ্রমণের জন্য বালি দুর্দান্ত একটি জায়গা।

আপনি যদি বালি দ্বীপে একাকী ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে স্বপ্নের অভিজ্ঞতার জন্য প্রস্তুত থাকুন। পাহাড়ের গায়ে সিঁড়ির মতো ধান চাষ, জাঁকালো মন্দির, লীলাভূমি রেইনফরেস্ট ও চমত্কার সমুদ্রসৈকতে একা ভ্রমণকারীদের রোমান্টিকতা উপভোগের অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে।

থাইল্যান্ড: দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটনবান্ধব পরিবেশের জন্য দেশটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সৈকতের সাদা নরম বালি, সামনে বিস্তৃত নীল সমুদ্র এবং তাতে চরে বেড়ানো রঙবেরঙের ছোট ছোট নৌকা আর পেছনে সবুজের চাদর বিছানো পাহাড় পর্যটকদের আকৃষ্ট করে পাতায়া সমুদ্রসৈকতে। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী থাই বাজার ও অলংকৃত মন্দিরের সর্বজনীন শহর চিয়াং মাই। অনন্য এ গন্তব্য একাকী ভ্রমণকারীরা মিস করতে চান না।

বিস্তৃত পল্লীর ওপর দিয়ে এক উজ্জ্বল সূর্যোদয় দেখতে ভোর ভোর বেরিয়ে পড়ুন। ঘুরে আসুন হাতির অভয়ারণ্য এলিফ্যান্ট নেচার পার্কে। চিয়াং মাইতে ভ্রমণ করার সময় আপনি আপনার মতো ভ্রমণকারী ও স্থানীয়দের সঙ্গে গল্প, কথা ও আড্ডায় মেতে উঠতে পারবেন, যা আপনাকে লাইফটাইম অভিজ্ঞতা দেবে।

সিঙ্গাপুর: ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস, বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়াকলাপ, ঘোরার জায়গা, পরিবারবান্ধব পরিবেশ, কেনাকাটা, মজা ও নাইট লাইফ উপভোগ করার জন্য দুর্দান্ত একটি জায়গা সিঙ্গাপুর। এশিয়ার ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুর ব্যবসায়ীদের কাছেও আকর্ষণীয় একটি জায়গা। সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানা বিশ্বের অন্যতম সুন্দর বন্যপ্রাণী উদ্যান হিসেবে পরিচিত। এছাড়া চারটি পরিকল্পিত এলাকা দ্বারা পরিবেষ্টিত মারিনা বেতে আপনি অত্যাধুনিক সব স্থাপনা দেখতে পাবেন।

আপনি যদি স্থানীয়দের মতো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান, তাহলে আপনার ভ্রমণের তালিকায় মেরিনা বে যুক্ত করুন। শহরে পাখির চোখের ভিউ, উপসাগরের চারপাশে ট্যাক্সি ভ্রমণ ও ডাবল হেলিক্স সেতুতে একাকী হাঁটা উপভোগ করতে পারবেন। এখানকার আরেকটি মজাদার অভিজ্ঞতা হলো মাউন্ট ফ্যাবার ও সেন্টোসা দ্বীপের মধ্যে কেবল কারে ওঠা।জুমবাংলানিউজ/পিএম

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *