Image: google

বিয়ের আসরেই একসাথে ২ পাত্রীকে বিয়ে করলেন যুবক!

বিয়ের আসরেই একসাথে ২ পাত্রীকে বিয়ে করলেন যুবক! – করোনাভাইরাসের কালবেলা। বিশ্বজুড়ে মহামারী। এর মধ্যে যে কোনও ধরনের অনুষ্ঠানই বাতিল করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন মানুষ। বহু মানুষের বিয়ে বাতিল হয়েছে। লকডাউনের জেরে নিজেদের কাছের মানুষের শেষকৃত্যেও

যোগ দিতে পারেননি একাধিক ব্যক্তি। তিনবারেও বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসন। দেশের স্বার্থেই কার্যত বিয়ে বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের এক যুবকের বিয়ের কাণ্ড দেখে স্তম্ভিত সকলেই। একই মণ্ডপে দুই পাত্রীর সঙ্গে বিয়ে সেরে ফেলেছেন তিনি। একজন তাঁর প্রেমিকা, অন্যজন বাবা মায়ের পছন্দ করা পাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার মধ্যপ্রদেশের বেতুল

জেলার ঘোদাডোংরি ব্লকের কেরিয়া গ্রামে। সেই বিয়ে দেখতে প্রায় উপচে পড়েছিল গোটা গ্রাম। এমন আজব বিয়েতে তাজ্জব বনেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারাও। বর্তমানে তাঁরা এই ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবরও চালাচ্ছেন। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, আদিবাসী যুবক সন্দীপ যে দুজন মহিলাকে বিয়ে করেছেন তাঁদের একজনের বাড়ি হোশদাবাদ জেলায় এবং অন্যজনের বাড়ি

ঘোদাডোংরি ব্লকের কয়ালারি গ্রামে। পড়াশোনার জন্য ভোপালে থাকার সময়েই সন্দীপের সঙ্গে হোশদাবাদ জেলার ওই যুবতীর পরিচয় হয়। তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তাঁরা একে অপরকে বিয়ে করবে বলেও ঠিক করে। এদিকে সন্দীপের বাড়িতে তখন তাঁর বিয়ের তোরজোর শুরু হয়ে গিয়েছে। ঘোদাডোংরি ব্লকের কয়ালারি গ্রামে ঠিক হয়েছে পাত্রী। বাবা-মা নিজেরাই গিয়ে দেখে পছন্দ করে কথা পাকা

করে এসেছেন। একথা জানাজানি হতেই সন্দীপের বাড়িতে শুরু হয় প্রবল অশান্তি। যাতে শেষ পর্যন্ত হাত দিতে হয় স্থানীয় পঞ্চায়েতকে। সালিশিসভা ডেকে এর বিচার করা হবে ঠিক হয়। রাজি থাকলে দুজন যুবতীকেই বিয়ে করবে সন্দীপ। সম্মতি জানায় দুজন যুবতীর পরিবারও। তারপরেই বুধবার মহাধূমধামের সঙ্গে তিন পরিবারের উপস্থিতিতে সাতপাকে বাঁধা পরেন তিন জন। এদিকে করোনাভাইরাসের এই মহামারীর

জেরে বর্তমানে বিবাহানুষ্ঠানের জন্য সরকারের তরফে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। সূত্রের খবর, বিয়ের আয়োজন ও বা এই সম্পর্কে কোনও তথ্যই জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়নি। তারা গোটা বিষয়টির তদন্ত করে দেখবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে এই অদ্ভূত বিয়ের

আইনি বৈধতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫০ জনের আসার কথা। কিন্তু সেই বিয়েতে এসেছিল প্রায় গোটা গ্রাম। বেশিরভাগের মুখেই ছিল না কোনও মাস্ক। এমনকী পাত্রপাত্রীদের মুখেও না।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *