Wednesday , January 27 2021
Image: google

ফের আসছে ভ’য়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়! যে দুই রাজ্যে আঘাত হানবে

ফের আসছে ভ’য়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়! যে দুই রাজ্যে আঘাত হানবে – আসতে চলেছে ফের ভ’য়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় দুই হাজার কুড়ি সালে আমাদের অনেক কিছুই দেখিয়ে দিল। আমরা কিভাবে দিনের-পর-দিন ঘরবন্দি হয়ে থাকতে পারি ক’রোনার আ’তঙ্কে।

আবার কিভাবে দিনের-পর-দিন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ছাড়া কাটিয়ে দিতে পারি আমফান এর ফলে। প্রতিটা দিনই কাটে এই আ’তঙ্কে আবার না কোন নতুন করে কিছু দুঃসংবাদ আমাদের শুনতে হয়। এই বছর কেটে গেল কোনরকম অনুষ্ঠান উৎসব ছাড়াই।

বাঙালি যে নববর্ষ ছাড়া নিজেদের ভাবতে পারেনা সেই নববর্ষ এবার কেটে গেল বিনা উৎসবে। এমনকি দীর্ঘ ৬২৪ বছরের পর রথযাত্রা বন্ধ হয়ে গেল এই প্রথম। মানুষ দিনের পর দিন আর্থিকভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। বাঙালির মহোৎসব দুর্গাপুজোয় বছর হবে কিনা সেই নিয়ে চিন্তিত আপামর বাঙালি।

একদিকে ক’রোনার জন্য প্রতিদিনই যেন নতুন করে মৃ’ত্যুর মিছিল হচ্ছে অন্যদিকে আমফানের পর কোটি কোটি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। দুদিন আগেই ঘটে গেল আমাদের রাজধানীতে ভূমিক’ম্প। তী’ব্রতা বেশি না থাকলেও আত’ঙ্কে দিন কাটছে রাজধানী বাসীদের।

আমফানের আত’ঙ্ক কাটতে না কাটতেই আরেকটি ঘূর্ণিঝড় ঘনীভূত হতে শুরু করেছে আরব সাগরে। দিল্লির মৌসুম অফিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে আগামী তিন তারিখ এই ঘূর্ণিঝড় আছে পড়বে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট উপকূলে।

একইসঙ্গে আরব সাগরে দুটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে যার মধ্যে একটি চলে যাবে আফ্রিকা উপকূলে আছড়ে পড়বে আমাদের ভারতের এই দুই রাজ্যে।এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সমুদ্র উত্তাল হতে পারে এই আশ’ঙ্কা করে এখন থেকেই মৎস্যজীবীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে আগামী ২ রা ও চৌঠা জুন থেকেনিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে মহারাষ্ট্র এবং

গুজরাট উপকূলে। আহসানের ভ’য়ঙ্কর সেই অভিজ্ঞতা থেকে এখন থেকেই কাঁপছে গুজরাট এবং পাঞ্জাব উপকূল। কিভাবে সামাল দিতে দেওয়া যাবে সেই নিয়ে এখন থেকে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে উপর মহলের। মৌসুম ভবনের আধিকারিক সুনিতা দেবী জানিয়েছেন যে

পূর্ব-মধ্য আরব সাগরের একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে যেটা পরবর্তীকালে ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে। এই খবরের পর চিন্তিত সকলে। আমফানের সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেভাবে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন ঠিক সেইভাবেই পাঞ্জাব এবং গুজরাটের সরকার সতর্ক করে দিতে চাইছেন সেখানকার লোকেদের।

কয়েক হাজার মানুষকে উপকূল থেকে সরিয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হবে। ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হতে পারে তাই আগে থেকেই বাড়ির থেকে জল ভর্তি করে রাখা ,মোমবাতি কিনে রাখা, মোবাইল চার্জে রাখা এইসব জরুরী ব্যবস্থাগুলো সবাইকে নিতে বলা হচ্ছে। কতটা ভ’য়ঙ্কর হতে পারে সেটা এখন থেকে জানা না গেলেও তবুও এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের সাথে মোকাবিলা করার জন্য জরুরী ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

কারণ এমনিতেই ক’রোনার আ’ক্রান্ত এবং মৃ’তের সংখ্যার নিরিখে মহারাষ্ট্র প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তার মধ্যে যদি একটি ঘূর্ণিঝড় সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দেয় তাহলে সেটা সামাল দিতে রীতিমতো বেগ পেতে হবে মহারাষ্ট্রের সরকারকে। তাই যথাসম্ভব এখন থেকে নিজেদের প্রস্তুত করতে চাইছেন মহারাষ্ট্র এবং

গুজরাটের সরকার। দুই হাজার কুড়ি আমাদের সকলের জন্যই একটি শিক্ষার বিষয় কিন্তু তবুও আমাদের সকলকে একজোট হয়ে এই দুঃসময়ে থেকে বেরিয়ে আসবার জন্য ল’ড়াই চালিয়ে যেতেই হবে।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *