image: google

প্রচন্ড খুব ক্ষুদা পেলে এই সব খাবার ভুলেও খাবেন না! বাড়বে বিপত্তি

প্রচন্ড খুব ক্ষুদা পেলে এই সব খাবার ভুলেও খাবেন না – প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে ঘরে যা থাকে তাই খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করি। কেননা ক্ষুধা পেলে খাবার না খাওয়া পর্যন্ত কিছুই ভালো থাকে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে ক্ষুধা মেটানো হয়। কিন্তু এ সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়।

কারণ এমন কিছু খাবার আছে যা এমন খিদের সময়ে খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। জেনে নিন কোন খাবারগুলো খিদের সময়ে খাওয়া উচিত নয়। ঝাল খাবার: মধ্যাহ্নভোজ (লাঞ্চ) সারতে দেরি হয়ে গেছে। তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল কোনো মুখরোচক খাবার অর্ডার করে বসলেন আর তা দিয়েই মধ্যাহ্নভোজ সেরে নিলেন।

এর ফলে কি হবে জানেন? আপনার হজমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের (স্টমাক লাইনিং) ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। তাহলে কী করবেন? ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না।ফল: খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটা আপেল বা একটা কলা খেয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারবেন না।

ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিৎ কোনও প্রোটিন ধরনের খাবার। ফলের সঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পনির, এক পিস বিস্কুট বা পাউরুটি। চা বা কফি: এসব পানীয় খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে,

তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিস্কুট বা চিপস: এমনটা হতে পারে যে আপনি ঘণ্টা খানেক পর লাঞ্চ করবেন। তাই এখন ভারি কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এছাড়া এসব খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনো খাবার। যেমন- একটা স্যান্ডউইচ বা কেক।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *