Wednesday , November 25 2020
Image: google

পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে (PPF) ইনভেস্ট করার আগে যে ১২ বিষয় অবশ্যই জানা উচিৎ

পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে (PPF) ইনভেস্ট করার আগে যে ১২ বিষয় অবশ্যই জানা উচিৎ – পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা PPF সাধারণ মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য একটি বিনিয়োগ বিকল্প। এই বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এতে ঝুঁকির মাত্রা খুব কম। সরকারি ও বেসরকারি বহু ব্যাঙ্ক

রয়েছে যেখানে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা পাওয়া যায় যদিও ব্যাঙ্কের সব শাখার PPF অ্যাকাউন্ট খোলার অধিকার নেই। আগে শুধু পোস্ট অফিসেরই এক্তিয়ার ছিল PPF অ্যাকাউন্ট খোলার। বর্তমানে পোস্ট অফিসের সাথে ব্যাঙ্ক ও অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে PPF

অ্যাকাউন্টে টাকা রেখে নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যায়। পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য। টাকা জমা রাখতে গেলে যা জেনে রাখা জরুরি

১. বয়সসীমার যোগ্যতা : যে কোনও প্রাপ্ত বয়স্ক লোক নিজের নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। একজন নাবালকের হয়েও অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। যে কোন শাখায় এই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। তবে জয়েন্ট ফ্যামেলির নামে এই অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না।
২. লগ্নীর উর্দ্ধসীমা : বছরে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা পিপিএফে জমা করা যাবে। ২০১৪ সাল থেকে এই নিয়ম লাগু হয়। সর্বোচ্চ ১২ টি মাসিক কিস্তিতে টাকা জমা করা যাবে। আবার বছরের কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে একসঙ্গে থোক টাকাও জমা করা যাবে।

২. মেয়াদ : প্রাথমিক মেয়াদ ১৫ বছর। মেয়াদ পূরণ হয়ে যাবার পরেও PPF অ্যাকাউন্ট চালু রাখা যেতে পারে। কোন রকম টাকা জমা না দিয়েও।

৩. ১৫ বছর পরেও অ্যাকাউন্ট চালু রাখলে নির্দিষ্ট হারে সুদের টাকা গ্ৰাহকের খাতায় জমা হবে PPF অ্যাকাউন্টে মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট কোন বাঁধাধরা সংখ্যা নেই। অর্থাৎ গ্ৰাহক নিজের ইচ্ছেমত মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন।
৪. লোন ও টাকা তোলার নিয়ম : PPF অ্যাকাউন্ট থেকে আংশিক সঞ্চয় তুলে নেবার সুবিধা রয়েছে। আবার গ্ৰাহক ইচ্ছে করলে কোন কারণ না দেখিয়ে মেয়াদ শেষ হবার আগেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন।

৫. অ্যাকাউন্ট খোলার পর তৃতীয় ও ষষ্ঠ বছরে আংশিক টাকা তোলা সম্ভব। তবে বছরে একবার মাত্র টাকা তুলতে পারবেন গ্ৰাহক‌।
৬. PPF অ্যাকাউন্ট থেকে ঋণ নেওয়া বা আংশিক টাকা তোলার মেয়াদ ৩৬ মাস। আংশিক ভাবে টাকা তোলা যাবে সম্পূর্ণ করমুক্ত ভাবে।

৭. মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে PPF অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে হলে দেখাতে হবে নির্দিষ্ট কারণ। যেমন স্ত্রী, সন্তান বা অন্য কোন পারিবারিক সদস্যের চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন।
৮. যদি কোন গ্ৰাহক মনে করেন চালু অ্যাকাউন্টে টাকা জমা থাকবে, তাহলে নূন্যতম ৫ বছর মেয়াদ পর্যন্ত তা চালু রাখতে হবে।

৯. সন্তানের বিদেশে পড়াশোনার জন্য টাকার খরচ হলে গ্ৰাহক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারবেন। তবে উপযুক্ত তথ্য জমা দিতে হবে।
১০. গ্ৰাহক কোন নাবালক বা নাবালিকার নামে আরও একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। যদিও সর্বোচ্চ বিনিয়োগের সীমা সেক্ষেত্রে দুটি অ্যাকাউন্টের অর্থ মিলিয়ে ধরা হবে।

১১. কোন ব্যক্তি যৌথ PPF অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না, অ্যাকাউন্ট একটা নামেই খুলতে হবে। PPF অ্যাকাউন্ট খোলার অধিকার প্রবাসী ভারতীয়দের নেই। যদি আগে থেকে কোন অ্যাকাউন্ট খোলা থাকে তবে তা গ্ৰাহ্য হবে।
১২. বর্তমানে বহু ব্যাঙ্ক PPF অ্যাকাউন্টে অনলাইন ট্রান্সফারের সুবিধা দেয়। এই পরিষেবা পেতে হলে ইন্টারনেট পরিষেবা নিতে হবে। এতে গ্ৰাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে PPF অ্যাকাউন্টে টাকা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়ে যাবে।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *