Image: google

নারীর মন জয় করার চমৎকার কিছু টিপস! ব্যর্থ হবেন না কখনোই

নারীর মন জয় করার চমৎকার কিছু – মেয়েদের মন বোঝা নাকি ভার, এমনটাই সমাজ শিখিয়ে এসেছে বরাবর। আসলে ব্যাপারটা অতটা কঠিন মোটেই নয়। সেই ছোট থেকে সব ছেলেমেয়েরাই এটা শুনতে শুনতে বড় হয় যে মেয়েদের মন বোঝা ঈশ্বরেরও অসাধ্য। তাই তাদের মনমতো উপহার খুঁজে পাওয়া খুবই শক্ত।

আসলে শক্ত কিছুই নয় যদি সহজ করে ভাবতে পারা যায়। উপহার যে দামি হতে হবে তেমনটা নয়, উপহার নির্বাচন থেকে উপহার দেওয়ার কায়দা— পরতে পরতে আবেগটা থাকা চাই ভরপুর, তাহলেই মন গলবে। ADVERTISEMENT POWERED BY ADGEBRA নীচে রইল এমন ৫টি উপহারের কথা যেগুলি ‘দামি’ নয় প্রাইস ট্যাগে কিন্তু প্রিয় মানবীর মন জয় করবে সহজেই—

১. ফোটো ফ্রেম, দামি, কমদামি সব রকমই পাওয়া যায়। এমন একটি ফ্রেমে প্রেয়সীর সঙ্গে নিজের ছবি বন্দি করে হাতে দিন। যে কোনও মেয়েই চায় ভালবাসার মানুষের সঙ্গে নিজের ফ্রেমবন্দি মুহূর্তটা অনন্ত হোক।
২. প্রেয়সী যদি খুব গুরুগম্ভীর, ইন্টালেকচুয়াল ধাঁচের না হন, তবে এই উপহারটি দিয়ে দেখতে পারেন, আশাহত হবেন না— একটি কফি মাগে লিখে দিন ‘পৃথিবীর সেরা প্রেমিকা’ অথবা ইংরেজিতে ‘ওয়ার্ল্ডস বেস্ট গার্লফ্রেন্ড এভার’। মন গলতে বাধ্য।

৩. স্কার্ফ হল পোশাকের এমন একটি অংশ যা সব সময়েই কাজে লাগে এবং মেয়েরা সব রকম পোশাকের সঙ্গেই এটি ক্যারি করতে পারেন। তাছাড়া যে কোনও বয়সেই মেয়েদের এই উপহারটি দেওয়া যায়। উপহার নিয়ে ধন্দে থাকলে চোখ বুজে একটা ভাল স্কার্ফ কিনে ফেলুন।
৪. আংটি হল এমন একটা গয়না, যা সব মেয়েরাই তাঁদের প্রেমিকের থেকে পেতে পছন্দ করেন। ব্যতিক্রমদের সংখ্যা নেহাতই হাতে গোনা। আর আংটি মানেই তা মহার্ঘ হতে হবে এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। তবে আংটি দেওয়া মানে কিন্তু প্রেমে

অনেকটা এগিয়ে যাওয়া, প্রায়-এনগেজমেন্ট হয়ে যাওয়া। তাই আংটি দেওয়ার আগে একটু ভেবে নেওয়া জরুরি। আংটি পাওয়ার পরে বেশিরভাগ মেয়েই মনে করে যে এবার প্রেমটি পাকাপোক্ত সম্পর্কের দিকে এগোবে।

৫. ফুল— যখন-তখন, যে কোনও সময়। কথায় বলে, যে মানুষ ফুল এবং শিশুদের পছন্দ করে না, সেই মানুষের মধ্যে খুনে-সত্তা লুকিয়ে থাকে। আর যে প্রেমিক কখনও প্রেমিকাকে ফুল উপহার দেননি, তিনি আদতে প্রেমিকই নন। এই সহজলভ্য উপহারটিতে মেয়েদের মুখে হাসি ফোটানো যায় সবচেয়ে সহজে।

তাছাড়া মেয়েদের মন জয় করতে নিচের টিপস গুলি ফলো করতে পারেন।
১. ভালবাসার প্রথম শর্ত হল প্রিয়মানুষটার কাছে সৎ থাকা। তার কাছে কোনকিছুই গোপন করা যাবে না।
২. প্রিয়তমাকে তার দূর্বলতার কথা তুলে রাগানো যাবে না।
৩. আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষদের পছন্দ করে। প্রিয়মানুষের মানসিক ও শারীরিক চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

৪. নিজের অর্থসম্পদের চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসতে হবে। প্রত্যেক নারী তার প্রিয়জনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ভালবাসা পেতে চায়। নারী চায় তার প্রিয়মানুষ তার প্রতি যত্মবান হোক। সবকিছুর উর্ধ্বে তাকে দেখুক।
৫. মেয়েরা হাস্য-রস পছন্দ করে। যেসব ছেলেরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসি তামাশা করতে পারে, মেয়েরা ঐসব ছেলেদের পছন্দ করে। ৬. মেয়েরা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও ফিটফাট থাকতে পছন্দ করে। মেয়েরা চায় তার ভালোবাসার মানুষটি সব সময় কেতাদুরস্ত থাকুক।

৭. প্রিয়তমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিতে হবে। সে কি জানতে চায় সেদিকে থেয়াল রাখতে হবে।
৮. নিজের পরিবারের সম্পর্কে তার সামনে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এতে মেয়েরা নিজেদের অনেকটা নিরাপদ মনে করে।
৯. ফেলে আসা জীবনে যেসব মেয়েদের সঙ্গে আপনার প্রেম ছিল। সেসব গল্প নাইবা বললেন আপানার প্রিয়তমাকে। যদি সে কখনো জানতে চায় তবেই বলা যেতে পারে।

১০. মেয়েরা কথার ছলে গল্প বলতে ভালোবাসে। আপনার প্রিয় মানুষটির গাল-গল্পে বিরক্ত হবেন না যেন। তাহলে সে আপনার উপরে চটে যাবে।
১১. প্রিয়তমার সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে আবেগ প্রকাশ করে কথা বলুন। এতে মেয়েরা খুশি হয়।
১২. আপনার মনে বেদনার পাহাড় জাগতে পা্রে। তাই বলে সবাইকে বলে কয়ে বেড়াবেন এমন নয়। প্রিয় নারীকেও আপনার দুঃখ-কষ্ট বুঝতে দেবেন না। বরং হাসি খুশি থাকুন।

১৩. কথায় বলে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না। তাই যথাসম্ভব প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন। তাকে ঘনঘন সময় দিন।
১৪. প্রিয় মানুষটির পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখুন। তার ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
১৫. প্রিয়তমার সঙ্গে কখনো অন্যকোন নারীর তুলনা করবেন না। কোন নারীর তুলনা পছন্দ করেন না।

১৬. অনেকে মনে করেন প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধত্ব করা যায় না। কথাটি ভুল। আগে বন্ধুত্ব পরে প্রেম।
১৭. প্রেমিকার বিশ্বাসে কখনো আঘাত করবেন না।তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনাকে সম্মান করুন।
১৮. প্রিয়তমার শরীরের মোহে না পরে তার মনের গুরুত্ব দিন। শরীর বৃত্তিয় ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ভালোবাসুন মনে থেকে। তাহলে শরীর মন দুটোই পাবেন অনায়াসে।

১৯. প্রকৃতিগত ভাবেই নারীরা কোমল। তাই প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলার সময় সময় কখনো কঠোর হবে না। কোমল সুরে নারীর সঙ্গে কথা বলুন।
২০. মেয়েরা খুব আবেগপ্রবণ। তারা সব সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসে। তাই আপনার প্রিয়মানুষটির পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। খোঁজ খবর নিন। মনে রাখবেন ভালোবাসা এমনি এমনি আসে না।

ভালোবাসা পেতে হলে আগে ভালোবাসা দিতে হয়। প্রেম-ভালোবাসা হল সুন্দরের আরাধনা। নারীর মন বুঝতে হলে নারীর সঙ্গে ঐ ধরনের আচরন করুন য্টো সে পছন্দ করে। তাহলেই দেখবেন সে আপনার প্রতি ভালোবাসায় বিগলিত হয়ে গেছে।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *