Image: google

নারীদের শরীরের এই ৬টি অংশে ভুলেও কখনো হাত দিবেন না

নারীদের শরীরের এই ৬টি অংশে ভুলেও কখনো হাত দিবেন না – পুরুষদের থেকে নারীদের শরীর অনেক বেশি সেনসিটিভ হয়ে থাকে আর সেই কারণেই কয়েকটি বিশেষ জায়গায় স্পর্শ করা উচিত নয়। যেটা অনেকেই ভুলবশত করে থাকেন।

কারণ এই অঙ্গ গুলি দিয়েই জীবাণু খুব সহজেই শরীর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে ফলেই তারা নিজের অজান্তে খুব সহজে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক –

১) মুখমণ্ডল:
দেখা গেছে অনেকেই মুখে ব্রনের সমস্যা নিয়ে বারবার হাত দেয় কিংবা নখে করে খুঁটতে থাকে। এটা একেবারেই উচিত নয়। মুখে হাত দেওয়ার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন কারণ বেশিরভাগ সময় হাতের মধ্যেই জীবাণু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে তা থেকেই রোগ হওয়ার আরো বেশি সম্ভব থাকে।

২) চোখ:
আমরা অজান্তেই দিনে কয়েকবার চোখের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে পরিষ্কার করি কিন্তু চিকিৎসকদের মতে এটা কখনোই করা উচিত নয়। কারণ হাতের মধ্যে থেকে জীবাণু চোখের মধ্যে প্রবেশ করে রোগের সৃষ্টি হতে পারে। আর এটি দেহের সবচেয়ে সেন্সিটিভ অঙ্গ তাই চোখে স্পর্শ করার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

৩) নখের নিচের ত্বক:
মুখের নিচের অংশের চামড়া টি খুবই নরম হয়ে থাকে এবং সেখানেই সবচেয়ে বেশির ভাগ ময়লা জমে। যে কারণে নিয়মিত আমাদের নখ পরিষ্কার করা উচিত। না হলে সেখান থেকে রোগজীবাণু সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

৪) কান:
অনেক সময় দেখা যায় কানের মধ্যে আমরা আঙ্গুল ঢুকিয়ে কান পরিষ্কার করি। কিন্তু আসলে এতে কান পরিষ্কার হয় না বরং জীবাণু সরাসরি প্রবেশ করে কানে। তাই যতটা সম্ভব কান থেকে হাত দূরে রাখাই উচিত। কটনবাড ব্যবহার করা যেতে পারে তাও খুবই সাবধানে।

৫) মুখ:
অতি ক্ষুদ্র জীবাণু গুলি কখনোই আমাদের চোখে পড়ে না আর সেগুলি বেশিরভাগ হাতের মধ্যেই জমে থাকে। তাই হাত পরিষ্কার না থাকলে কখনোই মুখের ভেতর দেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকদের মতে মুখের সাহায্যে দেহের অভ্যন্তরে এমন কিছু জীবাণু প্রবেশ করে যার ফলে কঠিন রোগের সৃষ্টি হয়।

৬) নাক:
সর্দি হলে অনেকেই বেশিরভাগ নাকে হাত দিয়ে পরিষ্কার করে থাকেন কিন্তু গবেষণা বলছে এতে তারা আরো বেশি রোগাক্রান্ত হয় এইজন্য স্যানিটাইজ ব্যবহার করুন। দেখবেন নাক পরিষ্কার করতে যারা রুমাল ব্যবহার করেন তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকেন।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *