Thursday , November 26 2020
Image: google

দীর্ঘ সময় ধরে হাজার হাজার মৌমাছি দিয়ে মাথা ঢেকে বিশ্বে যে নতুন রেকর্ড গড়লো যুবক

দীর্ঘ সময় ধরে হাজার হাজার মৌমাছি দিয়ে মাথা ঢেকে বিশ্বে – এক ঝলক এই ছবিটি দেখলে মনে হবে মানব শরীরের অবয়বে একটি মৌচাক।কিন্তু ভালো করে দেখলেই বোঝা যাবে,এক ব্যক্তির মাথা মুখ ঢেকে বসে রয়েছে হাজার হাজার

মৌমাছি। মানুষের সঙ্গে পশুদের বন্ধুত্বের অনেক উদাহরণ রয়েছে। এই ঘটনা মানুষের সঙ্গে মৌমাছির বন্ধুত্বের। শুনতে অতি আশ্চর্য লাগলেও এটাই সত্যি। কেরালার এই ব্যক্তির মৌমাছিদের সঙ্গে দারুণ বন্ধুত্ব রয়েছে। মৌমাছিদের দিয়ে তিনি পুরো মুখ ঢেকে ফেলতে পারেন তিনি। কেরালার ২৪ বছরের এই ব্যক্তি পেশায় মৌমাছি পালক নেচার এম এস।

ছোট থেকেই মৌমাছিদের সঙ্গেই থাকতেন তিনি। তার বাবা সজয়া কুমার এক পুরস্কার বিজয়ী মৌমাছি পালক। মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই মৌমাছিদের এভাবে মাথায় বসাতে শুরু করেছিলেন নেচার। এই অভ্যাস এবং মৌমাছিদের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তার নাম উঠল গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে এর আগেও নাম

উঠেছে বহু বিশ্ববাসীর। কিছুদিন আগেই তিনটে ডিম একটার ওপর একটা সমান্তরাল রেখাতে রেখে গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড এনাম তোলেন এক তরুণ। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী নেচার পুরো ৪ ঘণ্টা ১০মিনিট এবং ৫ সেকেন্ড মৌমাছিদের একটা ঝাঁক নিয়ে নিজের মাথা মুখ ঢেকে রেখেছিলেন যা একটি বিশ্ব রেকর্ড।রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম

তোলার পর নেচার বলেছেন,”মৌমাছিরা আমার সেরা বন্ধু।আমি চাই সবাই আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানাক, সবাই যেন আমার বন্ধুদের এভাবেই ভালোবাসে।নেচার স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে বলেছেন,” আমার বাবার পরামর্শ সব সময় আমার মাথায় থাকে। এজন্য আমার কোন ভয় লাগে না বা আমি ঘাবরে যাই না। আমার বাবা মৌমাছিদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের

পরামর্শ দিয়েছিলেন”। নেচার বলেছেন,” মৌমাছিদের এভাবে মাথায় বসানো খুব সহজ নয়। আর মৌমাছিদের নিয়ে তার কোনো সমস্যা কোনদিনই হয়নি। তিনি বলেছেন, ছোট থেকেই মৌমাছি ফার্মে বাবার সঙ্গে যেতাম। একদিন তিনি আমাকে মৌমাছি ধরতে বললেন।আর সেই দিন থেকেই ছোট্ট এই প্রাণীটির সম্পর্কে আমার আগ্রহ গড়ে ওঠে। একমাস পর বাবা

আমাকে মুখে মৌমাছি রাখতে বলেন। এই ভাবেই মৌমাছিদের সঙ্গে বন্ধুত্বের পর্ব শুরু হয়”। নেচার বলেন,” প্রথমটা একটা অদ্ভুত অনুভুতি হলেও ধীরে ধীরে এতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। প্রথমে এক ঘন্টা ধরে অভ্যাস করত। পরে সেই সময় বাড়তে থাকে। নেচার বলেছেন, এভাবে মৌমাছি মুখে বসিয়ে তিনি হাঁটতেও পারেন। দেখতেও কোন সমস্যা হয়না তার”।

এই অবস্থায় তিনি সুন্দরভাবে নেচে দেখিয়ে দিলেন। তার এই রেকর্ডের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া তে তাকে প্রশংসা জানিয়েছেন অনেকেই। এই জয়ের জন্য বিশেষত খুশি নেচারের বাবা। তার সুদক্ষ ট্রেনিং এর জন্যই আজ নেচার বিশ্বজয় করতে পেরেছে।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *