কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ করার উপায়
image: google

কর্মক্ষমতা বাড়ানোর উপায়; যেভাবে বাড়াবেন

অলসতার কারণে আমরা ঠিকমত প্রোডাক্টিভিটি ঠিকমত দিতে পারিনা। কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ কেন আমরা করতে চাই? নিশ্চয় ভালো ফলাফলের আশায়। কিন্তু কিছু দূর আগানোর পর আর তেমন লাভ হয় না, আমাদের কিছু ভুল পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে। তাই পরির্বতন নিয়ে আসতে হবে জীবনে তবেই আমরা সুফল পাব।

কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ করার জন্য সকালের কিছু ভালো অভ্যাস এর সুবিধা আমাদের অবশ্যই গ্রহণ করা উচিৎ। কারণ ঘুম থেকে উঠার পর আমাদের শরীর তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর থাকে। আপনি দিনটি সফলভাবে পার করতে চাইলে সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে, আপনার সকালটি ঠিক কীভাবে শুরু করছেন তার উপর র্নিভর করে। সকালের সুন্দর শুরুটাই আপনাকে একটি সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে দিনের বাকি অংশের জন্য প্রস্তুত করতে সহায্যে করে।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ করার উপায়:

১। লেবুর রস মিশ্রিত ১ গ্লাস ঠাণ্ডা জল পান: যদিও ঘুম থেকে ওঠার পর ১ কাপ ধূমায়িত কফি কিংবা চা অনেক বেশি লোভনীয় কিন্তু ১ গ্লাস লেবু মিশ্রিত পান পান করে ‍দিনের শুরু করারটা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারি। এই পানীয় শুধুমাত্র আপনার ঘুম ই তাড়াবে না তার সাথে সাথে আপনার ক্ষুধার তীব্র অনুভূতি কমাবে এবং আপনার হজম শক্তিও বাড়াবে। এছাড়াও আপনার দেহের ভিটামিনের এর একটি বড় অংশ পূরণ করবে এবং আপনার নিঃশ্বাসকে আরও ফ্রেশ করে তুলতেও সহায়তা করবে।

২। নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম: প্রতিটি সফল ব্যক্তিই সকালে নিয়মিত ব্যয়াম করে থাকেন। সকারের ওর্য়াক আউট আপনাকে অনেক স্বাস্থ্যবান ও শক্তিশালী করে তোলে এবং আপনার দীর্ঘায়ু বৃ্দ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। আপনি যদি একটি প্রোডাক্টিভ দিন চান তাহলে কখনোই ব্যয়াম করা হতে নিজেকে দূরে রাখবেন না। প্রতিদিন আপনাকে ব্যয়ামের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, তাহলে প্রতিটি দিনই প্রোডাক্টিভ কিছু ফল পাবেন।

৩। সকালের রোদ গায়ে লাগান: ঘুম হতে ওঠার পর সরিসরি বাইরে চলে যান সকালের রোদ গায়ে লাগানোর জন্য। এতে সূর্যের সতেজ আলো আপনার মনকে সতেজ করে তুলবে। সকালের প্রাকৃতিক আলো আপনার কর্মক্ষমতা বৃ্দ্ধির সাথে সাথে আপনার দেহের সার্কাডিয়ান সিস্টেমকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। মূলত সার্কাডিয়ান সিস্টেম হলো, সময়ের সাথে নিজ দেহের নানাবিধ কাজ সম্পাদন করার চক্র। র্সাকাডিয়ান সিস্টেমকে দেহঘড়িও বলা হয়।

৪। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যগ্রহণ: আপনি সকালের নাস্তার তালিকায় কী কী মেন্যু রাখছেন সেটি একটি মূখ্য বিষয়। মনে রাখবেন, সকালের নাস্তায় ভারী কিছু বা তেল জাতীয় খাবার একদম রাখা উচিৎ নয়। প্রেটিন এবং লো ফ্যাট জাতীয় খাবার তালিকায় রাখাটা বেশ জরুরি। যেমন: ফলমূল, লাল আটার রুটি, ডিম ইত্যাদি সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন

৫। ইতিবাচক চিন্তা করুন: কোন কাজ শুরু করার আগে একবার আয়ানর দিকে তাকান নিজেকে বলুন আপনি আপনার কাজে সফল্য পাওয়ার জন্য একদম প্রস্তুত। কখনো নেতিবাচক চিন্তা করে আপনার কর্ম উদ্দিপনাকে নষ্ট করবে না। সেই সাথে সারা দিনের কাজের একটা রুটিন প্রস্তুত করুন। এটি আপনার কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ করতে সহায়ক হবে।

৬। আত্মবিশ্বাস বাড়ান: আপনার আত্মবিশ্বাস এবং একটি সুন্দর প্রস্তুতি সম্পন্ন প্রতিদিনের এই কাজগুলোকে আরো বেশি সক্রিয় করে তুলতে সক্ষম হবে।

About By Editor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *