Thursday , January 28 2021
Image: google

করোনা প্রাদুর্ভাবকালে বাঁচতে হলে ভুলেও এই ৯টি কাজ করবেন না

করোনা প্রাদুর্ভাবকালে বাঁচতে হলে ভুলেও এই ১০টি কাজ করবেন না – সারা বিশ্ব জুড়ে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে করানোভাইরাস (Coronavirus)। স্বাভাবিক ভাবেই সংক্রমণ এড়াতে সম্ভাব্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তাই বলে আতঙ্কিত হওয়ার মতো সময় এখনও আসেনি বলেনি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, আতঙ্কের পরিবেশে কোন কাজগুলি করার কোনো দরকারই নেই। যদি আপনি এইসব কাজ করেন তবে আপনাকে করোনা আক্রান্ত হতে হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

১. ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীলতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার পর এটিকে মহামারীর আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তবে ইন্টারনেটে করোনাভাইরাসের নিত্যনতুন খবর ছড়িয়ে পড়ছে অহরহ। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে সংক্রমণ এড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ইন্টারনেটের ভুয়ো খবরের উপর নির্ভর করে নয়।
২. নিজের মুখে হাত দেওয়া নয় হু জানিয়েছে, নিজের মুখ, চোখ, নাকে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। হাত মারফত ভাইরাসের সংক্রমণ যাতে মুখ, চোখ, নাক দিয়ে শরীরের বাঁসা না বাঁধতে পারে, সে কারণেই এই সতর্কতা।

৩. অযথা মুখোশ মজুত হু-এর নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও জানিয়েছে, মুখোশ বা মাস্ক সবার জন্য নয়। যাঁরা বিদেশ সফর করেছেন, অথবা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মূলত এই মুখোশ ব্যবহার করবেন। অথবা যিনি কোভিড -১৯ (Covid-19) আক্রান্ত হয়েছেন তিনি, এবং তাঁর পরিমণ্ডলে থাকা ব্যক্তিরা মুখোশ ব্যবহার করবেন। ফলে অযথা গাদাখানেক মুখোশ মজুত করে কোনো সুরাহা হবে না। সাধারণ মানুষের এই আগ্রহটির জন্যই বাজারে মুখোশের আকাল।

৪. জমায়েত এড়ানো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুব প্রয়োজন না হলে যেখানে অধিক সংখ্যক মানুষের জমায়েত হয়, সেই স্থানগুলি এড়িয়ে চলা ভালো। এক জায়গায় বেশি মানুষের সমাগম মানেই, ভাইরাস ছড়ানোর বেশি সম্ভাবনা। গণপরিবহণ, মেট্রো অথবা রেলের মতো মাধ্যমগুলি ব্যবহার করলে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজন সেলফ-কোয়ারেন্টিনের।

৫. বিকল্প চিকিৎসার ঝুঁকি এড়ানো করোনাভাইরাসের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে অনেকেই বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থার দ্বারস্থ হওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু সেটা এখনও পরীক্ষিত নয়। ফলে ওই ঝুঁকি এড়াতে হবে। কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শই সে ক্ষেত্রে একমাত্র অবলম্বন।

৬. অ্যান্টিবায়োটিক অপ্রয়োজনীয় সবারই বাড়িতে কম-বেশি অ্যান্টিবায়োটিক থাকেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ সঠিক পদক্ষেপ নয়। জ্বর, সর্দি-কাশির মতো উপসর্গগুলি দেখা দিয়ে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ৭. সাধারণ জ্বরের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলা সাধারণ জ্বর এবং কোভিড-১৯-এর অনেক মিল রয়েছে। কিন্তু পৃথক করা সম্ভব শুধুমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমেই। ফলে জ্বর, সর্দি-কাশি হলে ঘরে বসে সাধারণ জ্বরের মতো চিকিৎসা না করিয়ে হাসপাতালে যাওয়া বাঞ্ছনীয়।

৮. আতঙ্কের ফলে ভুল সিদ্ধান্ত অনেক সময়ই আতঙ্কিত হয়ে আমরা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। কিন্তু সতর্কতার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোগটিকে মহামারী আখ্যা দেওয়ার পর আতঙ্ক আরও ছড়িয়েছে। কিন্তু ভাইরাসটির সংক্রমণ ভারতে যে পর্যায়ে অবস্থান করছে, তাতে অযথা আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো মানেই হয় না।

৯. সফর বাতিল সরকারি ভাবে প্রত্যেকটি নাগরিককে বিদেশ সফর বাতিল করার কথা বিভিন্ন মাধ্যম মারফত জানানো হচ্ছে। যাঁরা বিমানে অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা আগে থেকেই করেছিলেন, তাঁদের সেই সফর বাতিল করা প্রয়োজন।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *