Image: google

ওয়াশ রুমে আমরা যে ভুলগুলো করে থাকি! বাঁচতে হলে এই বিষয়গুলি জেনে রাখুন

ওয়াশ রুমে আমরা যে ভুলগুলো করে থাকি! বাঁচতে হলে এই বিষয়গুলি জেনে রাখুনওয়াশ রুমে আমরা যে ভুলগুলো করে থাকি! বাঁচতে হলে এই বিষয়গুলি জেনে রাখুন – মানব দেহের কার্যকারীতা অনুযায়ী আমাদের শরীরের সব বর্জ্য নির্গত হয় প্রস্রাব ও মলের দ্বারা। অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ ভিতরে থাকলে শরীরের ক্ষতি হয়। যেহেতু সেগুলি বর্জ্য সেহেতু সেগুলি ক্ষতিকারক ও দূষণ ছড়ায়। তাই আমরা যেখানে সেখানে মল মূত্র ত্যাগ না করে কোন নির্দিস্ট স্থানে সেটি করি।

কারন এগুলি থেকে বাহিত জীবাণু সকলের নানা রকম ক্ষতিসাধন করে। আমরা জীবাণু থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য টয়লেট ও বাথরুম ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু আমরা সেখানেও কিছু ভুল করে ফেলি যার পরিণতি হয় ভয়ঙ্কর। আসুন তাহলে জেনে নিন কি সেই ভুল গুলো, আর সাবধান হয়ে যান সেই সেই ভুল থেকে।

১। আমাদের দিনের প্রথম শুরু হয় দাঁত ব্রাশ করে, অনেকে টুথব্রাশ ব্যবহারের পর বাথরুমেই রেখে দেয়। ভিজে ব্রাশ বাথরুমে রেখে দিলে তা সহজে শুকনো হতে চায় না। আর সেখানে জন্ম নেয় জীবাণু। আর সেই ব্রাশ পরের দিন মুখে প্রবেশ করালে জীবাণুও মুখে প্রবেশ করে। তাই ব্রাশ কোন শুকনো যায়গায় রাখাই ভালো।
২। নিজের মেকাপের জিনিস বাথরুমে নিয়ে যাওয়া বা রাখা একদম উচিৎ নয়। কারন বাথরুমে থাকা জীবাণু মেকাপ সামগ্রীতে খুব সহজেই প্রবেশ করে। আর সেই মেকাপ যখন ত্বকে ব্যবহার করা হয় জীবাণু রোমকুপের দ্বারা শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।

৩। যারা যারা স্নানের সময় লুফা ব্যবহার করেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, তাদের ব্যবহৃত ভিজে লুফা বাথরুমে রেখে দেওয়া একদম ঠিক নয়। কারন ভিজে জিনিসে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্ম নেয়। তাই স্নানের পর লুফা ভালো করে রোদে শুকিয়ে তবে পুনরায় ব্যবহার করা উচিৎ।
৪। এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে তোয়ালের ক্ষেত্রে। তোয়ালে কখনো বাথরুমে টাঙ্গিয়ে রাখা উচিৎ নয়। বাথরুমের সমস্ত জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া এসে জমা হয় তোয়ালেতে। আর আপনি যখন সেই তোয়ালে ব্যবহার করবেন সেই জীবাণু প্রবেশ করবে আপনার শরীরে।

৫। অনেকে মোবাইল নিয়ে বাথরুমে অনেক সময় কাটান। এই কাজটি খুব ভুল কাজ। মোবাইল বাথরুমে অনেকক্ষণ থাকায় তাতে অনেক জীবাণু প্রবেশ করে। আর তারপর সেই মোবাইল নিয়ে কানে দিয়ে কথা বলার সময় জীবাণু প্রবেশ করে কানে।
৬। অনেকে কমোডে ফ্ল্যাশ করার পর কমোডের ঢাকনা না দিয়েই বেড়িয়ে আসেন। এর ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পরে। কমোড থেকে জীবাণু প্রায় ৬ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। তাই সকলের উচিৎ কমোডের ঢাকনা বন্ধ করে দেওয়া। তাহলে আর জীবাণু চারিদিকে ছড়াবে না।

৭। স্নানের জন্য সাবান সকলের বাথরুমেই থাকে। আমরা স্নানের সময় ঐ সাবান ব্যবহার করি। কিন্তু কেউ সাবানের উপরের ভাগ পরিস্কার করিনা। সাবানের উপরে জমা হতে থাকে অনেক জীবাণু। তাই ব্যবহারের আগে সাবান ধুয়ে নেওয়াই ভালো।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x