Tuesday , November 24 2020
Image: google

এখন মিষ্টির গায়েও থাকছে ‘এক্সপায়ার ডেট‘! যেভাবে বুঝবেন ডেট আছে কিনা

এখন মিষ্টির গায়েও থাকছে ‘এক্সপায়ার ডেট‘! যেভাবে বুঝবেন ডেট আছে কিনা – আগামী ১ জুন থেকে খুচরো ও পাইকারি মিষ্টি বিক্রির ক্ষেত্রে কবে কোনো মিষ্টি তৈরি হয়েছে এবং কতদিন পর্যন্ত তা খাওয়া যাবে তা জানাতে বাধ্য থাকবে মিষ্টি বিক্রেতারা।

২০০৬ সালের কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এফএসএসএআই। অন্যদিকে এফএসএসএআই এই নির্দেশের পরেই মিষ্টির দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিক্রেতারা। মিষ্টির মান সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে কম্পিউটারাইজড ট্যাগের মাধ্যমে মিষ্টি বিক্রি করতে গেলে তার দাম ২ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

আর এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব কিছু টা হলেও ক্রেতাদের ওপরও পরবে। ‘অনেক ক্রেতাই আছেন যারা ৫০ গ্রাম বোঁদে কিংবা দুটি সন্দেশ প্রতিদিন পুজোর জন্য নিয়ে যান। এঁদের সকলকে কি বিল দেওয়া সম্ভব? আর এই পদ্ধতি মেনে যদি গ্রাহকদের অল্প মিষ্টির জন্য বিল দিতে হয় কিংবা প্রতিদিন মিষ্টির জন্য নতুন ট্যাগ তৈরি করতে হয়,

সেক্ষেত্রে দাম তো বাড়বেই। শহরের অভিজাত মিষ্টান্ন বিক্রেতা বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক এর কর্ণধার সুদীপ মল্লিকের বক্তব্য প্রায় একই। সুদীপবাবু বলেন, ‘জিএসটি-র জন্য ইতিমধ্যেই মিষ্টান্ন বিক্রেতারা মিষ্টির দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা গত তিন বছর ধরে মানুষের উপর প্রভাব পড়বে বলে মিষ্টির দাম বাড়াইনি।

কিন্তু যদি প্রতিটি খুচরো মিষ্টির বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতিদিন তার মান সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হয়, তাহলে তো দাম বাড়াতে বাধ্য হব। ‘অনেক দোকান থেকেই দাম দিয়ে মিষ্টি কিনে নিয়ে গিয়ে দেখা যায় তার গুণগত মান ঠিক নেই। তখন কিছুই করার থেকে না।

যদি এই নতুন নিয়মে মিষ্টি বিক্রি হয়, তাহলে তার গুণমান নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যাবে।’ সূত্রের খবর, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এরাজ্যের মিষ্টান্ন বিক্রেতারা দিল্লিতে এফএসএসএআই-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

About By Editor

Check Also

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে

ভালোবাসার টানে ১ সন্তানের মা ভারত থেকে চলে আসলেন বাংলাদেশে- প্রেম মানে না কোনো বাঁধা, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *